Raju Das' Blog

ইনহেলার নয়, হাঁপানির কষ্ট কমাবে এই ঘরোয়া টোটকাগুলি

শীত পড়লে ভিতরে-বাইরে গুটিয়ে যান আশিসবাবু| এমনিতেই ভীষণ শীতকাতুরে| তার ওপর হাঁপানির রুগী| তাই চাইলেও তেমনভাবে উপভোগ করতে পারেন না| চিনির বয়স মাত্র তিন| তাও চিনির কাছে ‘শীতকাল’ ‘পচা সময়’| কারণ, চিনিও যে আশিসবাবুর মত হাঁপানিতে ভোগে| চিকিত্সকদের কাছে এই রোগের প্রধান দাওয়াই ‘ইনহেলার’| আয়ুর্বেদ বলছে, কিছু ঘরোয়া টোটকা অনেকটাই এই কষ্ট কমাতে পারে| তাও আবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই| ছোট-বড় জনরায় এই কষ্টে ভুগছেন, একবার try করে দেখতে পারেন টোটকাগুলো| কিছুটা হলেও তো আরাম মিলবে—কফি: শুধু শীতে নয়, সারা বছরই অনেকে কফি পান করেন| জানেন কি, হাঁপানির কষ্ট কমাতে কফির ওপর চোখ বুঁজে ভরসা করা যায়? গরম গরম এক কাপ কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়। এতে আপনা থেকেই হাপানিও কমে| এছাড়া, শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়ায়।মধু: আয়ুর্বেদ মতে, ‘সর্ব রোগ হরে মধু’| এই তালিকায় কিন্তু হাঁপানিও আছে| বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ রাতে ঘুমোবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। সর্দি-কাশিতেও অনেক আরাম পাওয়া যায়।  সরষের তেল: গরম জলের মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা সরষের তেল ফেলে দিন। এবার তোয়ালে দিয়ে মুখ-মাথা ঢেকে ধীরে ধীরে ভেপার ন

‘ময়ূরাক্ষী’ : ঋতুপর্ণের ভাবনা নিয়ে তৈরি, অথচ কোথাও তাঁর নামটাই নেই?

সুপণ্ডিত সফিস্টিকেটেড বাবার জীবনে হঠাৎ করে অন্য এক তুচ্ছ নারীর টান। সংসারের চেনা হিসেব সেটার চোটে যেন তখন টালমাটাল প্রায়। পরে একদিন খুঁজে খুঁজে সেই নারীর বাড়ি হঠাৎ করে পোঁছে গেল ছেলে। চোখের দিকে দু’চোখ রেখে মুখোমুখি বসল তখন দু’জন খানিকক্ষণ।সম্পর্কের এমন একটা প্যাটার্ন এঁকে তিনি সেটার নাম রেখেছিলেন ‘আবহমান’ (২০১০) বলে।নগরবাসী সভ্য দুই সংবেদনশীল মানুষ এক বাড়িতে থাকেন। সম্পর্কের নিকট টানে দু’জন তাঁরা রক্তসূত্রে বাঁধা। তবু একজন অন্যজনকে কথায় কথায় ‘থ্যাংকস’ বলে যান খালি। আর সেটা শুনে অন্যজন বিব্রত হন খুব। মুহুর্মুহু ধন্যবাদের অভিব্যক্তি যে লোককে শুধু খুশিই করে না, অস্বস্তিতেও ফ্যালে, সেই ট্রিটমেন্ট তাঁর ছবি থেকেই জানা গেছিল তো ফার্স্ট।ভদ্রলোকের দ্বিতীয় ছবি সেটা, ‘উনিশে এপ্রিল’ (১৯৯৪) নাম।অসুস্থ মায়ের কথা শুনে কেরিয়ার ফেলে কলকাতায় ছুটে আসছে মেয়ে। মা’কে সারিয়ে তুলতে দাঁড়াচ্ছে এসে বৃদ্ধ বাবার পাশে। ছবি জুড়ে একের পর এক অনিবার্য বার্ধক্য আর হসপিটালের সিন। আর বাবার ভূমিকায় সেখানেও আবার সৌমিত্রই ছিলেন। এটা সেই ভদ্রলোকের চার নম্বর ছবি, জানেনই তো যে, সেটার নাম ‘অসুখ’ (১৯৯৯)।বাড়ির কাজের মেয়ের ভূমিকাত

বিদ্যা ও সংস্কৃতির দেবী হলেও প্রণয়ের ব্যাপারে সরস্বতী বিশেষ সুনামের অধিকারিণী নন

কলার দেবী তাই প্রায় সব বিদ্যায়তনেই সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে তবে সাধারণত সব বাড়িতেই সরস্বতী পূজার প্রচলন আছে । কেউ সরস্বতীর মূর্তি পূজা করেন, কেউ ছবিতে । দেবী সরস্বতীর মূর্তি আমরা যা দেখি, তা হল দেবী শ্বেতবসনা,এক হাতে বীণা, অন্য হাতে বরাভয় মুদ্রা, দেবীর বাহন রাজহাঁস । ভারতীয় পুরাণ-সংস্কৃতিতে সরস্বতী বহুমাত্রিক দেবী হিসাবে পরিচিত। আদিতে সরস্বতীর পরিচয় ছিল উত্তর ভারতের সপ্তনদীর ( গঙ্গা, যমুনা, শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও সরস্বতী ) অন্যতমা সরস্বতী নদীর অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসাবে। পরবর্তীকালে সেই নদীর দেবতা কী ভাবে শিক্ষা ও সংস্কৃতির অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসাবে পরিচিতি লাভ করল, তা খুবই বিস্ময়ের !প্রথমে দেখা যাক বিভিন্ন পুরাণগ্রন্থ সরস্বতীর উৎস সম্পর্কে কী বলছে। পদ্মপুরাণে সরস্বতী দক্ষকন্যা এবং কশ্যপ-পত্নী হিসাবে স্বীকৃত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে সরস্বতী বিষ্ণু বা নারায়ণের পত্নী। কিন্তু পদ্মপুরাণে তিনি কশ্যপ মুণির পত্নী। শিবপুরাণ আর স্কন্ধপুরাণ মতে সরস্বতী আবার শিবেরও পত্নী । ঋগ্বেদ-পরবর্তী হিন্দু শাস্ত্র আলোচনায় সরস্বতী ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর এই ত্রিদেব-এর পত্নী রূপে বর্ণিত হলেও,

এক পৃথিবী কৃতজ্ঞতা আপনার কাছে সুকুমার

ননসেন্স ক্লাবের সভাপতি আর খেয়ালরসের এই রাজার সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক ছোটবেলায়। আরো রঙচঙ মেখে বলা যায় আমিও সেইসব সৌভাগ্যবান শিশুদের মধ্যে একজন, যাদের জীবনের সবচেয়ে দূর্লভ সময়টা কেটেছে সুকুদার হাত ধরে।