By Kobi Mishu  |  Tuesday, July 10, 2018  |  3 Comments

তোমাকে পারিনি ছুঁতে, তোমার তোমাকে-উষ্ণ দেহ ছেনে ছেনে কুড়িয়েছি সুখ,পরস্পর খুড়ে খুড়ে নিভৃতি খুঁজেছি।তোমার তোমাকে আমি ছুঁতে পারি নাই।যেভাবে ঝিনুক খুলে মুক্ত খোঁজে লোকেআমাকে খুলেই তুমি পেয়েছো অসুখ,পেয়েছো কিনারাহীন আগুনের নদী।শরীরের তীব্রতম গভীর উল্লাসেতোমার চোখের ভাষা বিস্ময়ে পড়েছি-তোমার তোমাকে আমি ছুঁতে পারি নাই।জীবনের প’রে রাখা বিশ্বাসের হাতকখন শিথিল হয়ে ঝ’রে গেছে পাতা।কখন হৃদয় ফেলে হৃদপিন্ড ছুঁয়েবোসে আছি উদাসীন আনন্দ মেলায়-তোমাকে পারিনি ছুঁতে-আমার তোমাকে,ক্ষাপাটে গ্রীবাজ যেন, নীল পটভূমিতছ নছ কোরে গেছি শান্ত আকাশের।অঝোর বৃষ্টিতে আমি ভিজিয়েছি হিয়া-তোমার তোমাকে আমি ছুঁতে পারি নাই। এই কবির বিভিন্ন

 By Niladri Das  |  Monday, July 9, 2018  |  3 Comments

Hi guys..Its a great day because now our site would be running again from a few years gap.. So plz stay tuned with us ..BTW I'm a new admin of this site .. Thank you 😊

 Tags:   Refoundation,
read more
 By Raju Das  |  Saturday, January 20, 2018  |  3 Comments

শীত পড়লে ভিতরে-বাইরে গুটিয়ে যান আশিসবাবু| এমনিতেই ভীষণ শীতকাতুরে| তার ওপর হাঁপানির রুগী| তাই চাইলেও তেমনভাবে উপভোগ করতে পারেন না| চিনির বয়স মাত্র তিন| তাও চিনির কাছে ‘শীতকাল’ ‘পচা সময়’| কারণ, চিনিও যে আশিসবাবুর মত হাঁপানিতে ভোগে| চিকিত্সকদের কাছে এই রোগের প্রধান দাওয়াই ‘ইনহেলার’| আয়ুর্বেদ বলছে, কিছু ঘরোয়া টোটকা অনেকটাই এই কষ্ট কমাতে পারে| তাও আবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই| ছোট-বড় জনরায় এই কষ্টে ভুগছেন, একবার try করে দেখতে পারেন টোটকাগুলো| কিছুটা হলেও তো আরাম মিলবে—কফি: শুধু শীতে নয়, সারা বছরই অনেকে কফি পান করেন| জানেন কি, হাঁপানির কষ্ট কমাতে কফির ওপর চোখ বুঁজে ভরসা করা যায়? গরম গরম এক কাপ কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়। এতে আপনা থেকেই হাপানিও কমে| এছাড়া, শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়ায়।মধু: আয়ুর্বেদ মতে, ‘সর্ব রোগ হরে মধু’| এই তালিকায় কিন্তু হাঁপানিও আছে| বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ রাতে ঘুমোবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। সর্দি-কাশিতেও অনেক আরাম পাওয়া যায়।  সরষের তেল: গরম জলের মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা সরষের তেল ফেলে দিন। এবার তোয়ালে দিয়ে মুখ-মাথা ঢেকে ধীরে ধীরে ভেপার ন

 By Raju Das  |  Saturday, January 20, 2018  |  3 Comments

সুপণ্ডিত সফিস্টিকেটেড বাবার জীবনে হঠাৎ করে অন্য এক তুচ্ছ নারীর টান। সংসারের চেনা হিসেব সেটার চোটে যেন তখন টালমাটাল প্রায়। পরে একদিন খুঁজে খুঁজে সেই নারীর বাড়ি হঠাৎ করে পোঁছে গেল ছেলে। চোখের দিকে দু’চোখ রেখে মুখোমুখি বসল তখন দু’জন খানিকক্ষণ।সম্পর্কের এমন একটা প্যাটার্ন এঁকে তিনি সেটার নাম রেখেছিলেন ‘আবহমান’ (২০১০) বলে।নগরবাসী সভ্য দুই সংবেদনশীল মানুষ এক বাড়িতে থাকেন। সম্পর্কের নিকট টানে দু’জন তাঁরা রক্তসূত্রে বাঁধা। তবু একজন অন্যজনকে কথায় কথায় ‘থ্যাংকস’ বলে যান খালি। আর সেটা শুনে অন্যজন বিব্রত হন খুব। মুহুর্মুহু ধন্যবাদের অভিব্যক্তি যে লোককে শুধু খুশিই করে না, অস্বস্তিতেও ফ্যালে, সেই ট্রিটমেন্ট তাঁর ছবি থেকেই জানা গেছিল তো ফার্স্ট।ভদ্রলোকের দ্বিতীয় ছবি সেটা, ‘উনিশে এপ্রিল’ (১৯৯৪) নাম।অসুস্থ মায়ের কথা শুনে কেরিয়ার ফেলে কলকাতায় ছুটে আসছে মেয়ে। মা’কে সারিয়ে তুলতে দাঁড়াচ্ছে এসে বৃদ্ধ বাবার পাশে। ছবি জুড়ে একের পর এক অনিবার্য বার্ধক্য আর হসপিটালের সিন। আর বাবার ভূমিকায় সেখানেও আবার সৌমিত্রই ছিলেন। এটা সেই ভদ্রলোকের চার নম্বর ছবি, জানেনই তো যে, সেটার নাম ‘অসুখ’ (১৯৯৯)।বাড়ির কাজের মেয়ের ভূমিকাত

 Tags:  
read more